1. admin@alokitonoakhali.com : admin :
  2. inof@alokitonoakhali.com : newsdesk :
ধানক্ষেতের পোকা দমনে আলোক ফাঁদ স্থাপন ‌ - alokitonoakhali.com
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চাটখিলে ১৫ ঘন্টায় ও উদ্ধার হয়নি চুরি হওয়া শিশু। চাটখিল নানা আয়োজনে শেখ রাসেল দিবস পালিত। সোনাইমুড়ীতে উপজেলা কৃষক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত চাটখিলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নাভিশ্বাস জনজীবন। চাটখিলে দোকান পোড়ার মামলায় আটক ১। চাটখিল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২১ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ও পুরস্কার বিতরণ কোভিড-১৯ প্রতিরোধে চাটখিলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্ক বিতরণ হিংসা দিয়ে কোন সমস্যার সমাধান হয়নি,যুদ্ধ মুক্ত বিশ্ব গঠনে মহাত্মা গান্ধীর দর্শন মানুষকে অনুপ্রাণিত করে: আইনমন্ত্রী মরহুম মো. রায়হান কাউন্সিলর এর স্বরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধানক্ষেতের পোকা দমনে আলোক ফাঁদ স্থাপন ‌

ধানক্ষেতের পোকা দমনে আলোক ফাঁদ স্থাপন ‌

  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৩ পাঠক

মোঃ আলাউদ্দিন লিংকন স্টাফ রিপোর্টার

ফেনী দাগনভূঞা উপজেলার কৃষি অফিসের উদ্যোগে পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামে সন্ধ্যার সময়ে রোপা আমনের ধানক্ষেতের পোকা দমনে আলোক ফাঁদ স্থাপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সঞ্জয় কুমার সরকার, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জামাল হোসেন ,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ, শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মাস্টার গোলাম মোস্তফা,জগতপুর সিআইজি পুরুষ ( ফসল) সমবায় সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক দোলন, কৃষক বলাই চন্দ্র দাস নুরুল আমিন মনির, আলাউদ্দিন, ইব্রাহিম প্রমুখ।

আলোক ফাঁদের সুফল সম্পর্কে উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কৃষক ইব্রাহিম বলেন, আমরা মনে করতাম ফসলে পোকা থাকলেই তা ক্ষতি করে। তাদের মেরে ফেলতে হবে। তবে আজকে এই আলোক ফাঁদের মাধ্যমে জানতে পারলাম জমিতে উপকারী পোকাও থাকে। কখন পোকা দমন করতে হবে। আমার জমিতে কোন পোকা বেশি (উপকারী না অপকারী) তা আমি নিজেই পরীক্ষা করতে পারবো।
একই এলাকার কৃষক নুরুল আমিন বলেন, আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারবো কোন পোকার উপদ্রব বেশি। এতে সে অনুযায়ী আমরা ওষুধ দিতে পারবো। এছাড়া এ পদ্ধতির খরচও কম।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ বলেন, রাতের বেলায় জমিতে বৈদ্যুতিক বাল্ব টানানো হয়। বাল্বের নিচে পাত্র রাখা হয়। পাত্রের মধ্যে ডিটারজেন্ট বা কেরোসিনমিশ্রিত পানি থাকে। আকৃষ্ট হয়ে পোকামাকড় আলোর কাছে আসে এবং পাত্রের পানির মধ্যে পড়ে মারা যায়। ওই পোকামাকড় দেখে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। এটি একটি সহজলভ্য পদ্ধতি। কৃষকরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই ধানের ক্ষেতে পোকামাকড়েরে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় কুমার সরকার বলেন – আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি নির্ণয়ের পর কীটনাশক প্রয়োগ করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকের অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার কমছে, আর ফসল থাকছে অনেকটা বিষমুক্ত।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021Alokito Noakhali
Web Design By Trust Soft BD